ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুমায়ুন কবিরকে অভ্যর্থনা দেশসেবা দেশসেবা ডেস্ক রিপোর্ট প্রকাশিত: ৪:৫১ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৫ শরীফ আহমদ চৌধুরী ।। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবিরকে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বর্ণাঢ্য অভ্যর্থনা জানিয়েছেন সিলেট, বিশ্বনাথ ও ওসমানীনগর উপজেলার বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের শতশত নেতাকর্মী। সোমবার সকাল ১০টায় ভিআইপি লাউঞ্জে নেতাকর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুন ও শ্লোগানে মুখরিত পরিবেশে তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন– খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ড. এনামুল হক চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিফতা সিদ্দিকী, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী, সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমেদ চৌধুরী, সহসভাপতি ফখরুল ইসলাম ফারুক, জেলা বিএনপি নেতা ভিপি মাহমুব, বালাগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আব্দাল মিয়া, বিশ্বনাথ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সুহেল আহমদ চৌধুরী, ওসমানীনগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইমরান রব্বানী, বিশ্বনাথ উপজেলার লামা খাজি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কবির হোসেন দলা মিয়া, ওসমানীনগর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ গয়াছ মিয়া, অলংকারি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রুহেল মিয়া, দেওকলস ইউনিয়নের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আজাদ মিয়া, উসমানপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রব, সাবেক উপজেলা বিএনপি শ্রমবিষয়ক সম্পাদক ও গোয়ালা বাজার ইউনিয়নের ইউপি সদস্য সাইস্তা মিয়া, উমরপুর ইউনিয়নের বিএনপি নেতা আব্দুর রউফ, আলাউর রহমান, ইওয়ার আলী, যুক্তরাজ্য প্রবাসী আব্দুল আলেক ইসলাম, মিজানুর রহমান মিজু, মোঃ পার্বেজ মিয়া, সমর আলী, হান্নান মিয়া সহ, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, যুবদল, ছাত্রদল এবং দুই উপজেলার সাধারণ মানুষ। হুমায়ুন কবিরের বক্তব্য অভ্যর্থনা শেষে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে হুমায়ুন কবির বলেন, আগামী দিনে আমরা ৩১ দফা দাবিকে সামনে রেখে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির যে নীতিমালা তৈরি করাহয়েছে তা বাস্তবায়নের জন্য মাঠে কাজ করতে হবে। শুধু শহরে নয়, প্রতিটি গ্রামে,গ্রামে, ও হাটে–মাঠে এই বার্তা পৌঁছে দিতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “বিশ্বনাথ ও ওসমানীনগরের নেতাকর্মীরা যেভাবে ঐক্যবদ্ধভাবে আজ আমাকে অভ্যর্থনা জানিয়েছেন, এটি বিএনপির শক্তির প্রমাণ। আগামী আন্দোলন সংগ্রামে দলের প্রতিটি নেতা-কর্মীর সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন।” উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে নেতাকর্মীরা হুমায়ুন কবিরকে “তারুণ্যের অহংকার” আখ্যা দিয়ে ধানের শীষের পক্ষে স্লোগান দেন। তাদের দাবি, আগামী জাতীয় নির্বাচনে সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর) আসনে হুমায়ুন কবিরকে প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান সাধারণ মানুষ। উপস্থিত স্থানীয় নেতারা বলেন, বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে সাফল্যমণ্ডিত করতে হুমায়ুন কবির অগ্রণী ভূমিকা রাখছেন। প্রবাসী বাঙালিদের সঙ্গে তার দৃঢ় সম্পর্ক সিলেটের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন গতি এনেছে। ঐক্যের বার্তা অভ্যর্থনা অনুষ্ঠান শেষে হুমায়ুন কবির নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “সিলেট বিএনপি সবসময় ঐক্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বিশ্বনাথ ও ওসমানীনগরের প্রত্যেকটি গ্রামে, ইউনিয়নে আমাদের বার্তা পৌঁছে দিতে হবে—গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ছাড়া এই দেশের মানুষের মুক্তি নেই। আমরা সবাই মিলে সেই আন্দোলনের অংশীদার হবো।” অভ্যর্থনায় অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা জানান, এই সফরের মধ্য দিয়ে সিলেটের রাজনীতিতে বিএনপির নতুন করে উজ্জীবন ঘটবে। SHARES সারা বাংলা বিষয়: