আদালতপুলিশের হেফাজত থেকে পালালো জোড়া খু.নের আসামি দেশসেবা দেশসেবা ডেস্ক রিপোর্ট প্রকাশিত: ১:৪১ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৫ মোঃ আবু সাঈদ।। আদালতের মতো কড়া নিরাপত্তাবেষ্টিত এলাকায় রীতিমতো চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে বগুড়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের হাজতখানার সামনে থেকে পালিয়ে যায় আলোচিত জোড়া খু.ন ও ডাকাতি মামলার আসামি রফিকুল ইসলাম (৪০)। এ ঘটনায় আদালতপাড়ায় আ.তঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং আদালতপুলিশের দায়িত্বশীলতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। রফিকুল ইসলাম বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার চকপাড়া গ্রামের নছির আকন্দের ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আদালতের গেটের সামনে থেকেই পুলিশি নজর এড়িয়ে কৌশলে পালিয়ে যায় সে। তাদের মতে, আদালতের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এ ধরনের ঘটনা দায়িত্বে অবহেলা ও নিরাপত্তার বড় ফাঁক ছাড়া সম্ভব নয়। ঘটনার পর আদালত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয় এবং চিরুনি অভিযান চালানো হলেও শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রফিকুলকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। আদালতপুলিশের অবহেলার কারণে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ আসতে পারে বলে জানা গেছে।কয়েক মাস আগে দুপচাঁচিয়ার জিয়ানগর ইউনিয়নের লক্ষ্মীমণ্ডপ গ্রামে ভয়াবহ ডাকাতি ও জোড়া খু.নের ঘটনায় অন্যতম আসামি ছিলেন রফিকুল ইসলাম। ওই রাতে সৌদি প্রবাসী শাহাজানের স্ত্রী রিভা আক্তার (৩০) ও শ্বশুর আফতাব উদ্দিন (৭০) খু.ন হন। তবে পরিবারের শিশু রুকাইয়া তাসনিম মালিহা অলৌকিকভাবে বেঁচে যায়। ঘটনার পর নগদ ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা ও প্রায় ১০ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার লু.ট করে ডা.কাতরা। মামলায় এ পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রে.প্তা.র করা হলেও পাঁচ আসামি এখনো পলাতক। উদ্ধার হয়নি লুট হওয়া অর্থ ও স্বর্ণালংকারও। আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে রফিকুলসহ গ্রে.প্তা.র আসামিরা জানায়, মোট ১১ জন ওই ডাকাতিতে অংশ নিয়েছিল।মৃত আফতাব উদ্দিনের মেয়ে তহমিনা বিবি বলেন, ‘ছয়জন গ্রে.প্তার হলেও প্রভাবশালী পাঁচ আসামি বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এখন আবার রফিকুল আদালতপুলিশের হেফাজত থেকে পালিয়ে গেল। এতে আমরা আ.ত.ঙ্কে আছি। পুলিশের গাফিলতি নাকি ইচ্ছাকৃত পালিয়ে দেওয়া-এর সঠিক তদন্ত চাই।’ তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির ইন্সপেক্টর রাকিব বলেন, ‘পলাতক আসামিদের ধরতে একাধিক স্থানে অভিযান চলছে। প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছে।’ বগুড়া পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা বলেন, ‘এ মামলাটি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত। দ্রুততম সময়ে সব আসামিকে গ্রে.প্তার করে চা.র্জশিট দাখিলের চেষ্টা চলছে।’ SHARES সারা বাংলা বিষয়: