ধামইরহাটে নারীকে মারধরের অভিযোগে ইউএনও এবং পৌর প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন দেশসেবা দেশসেবা ডেস্ক রিপোর্ট প্রকাশিত: ১২:৪১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২, ২০২৫ ছাইদুল ইসলাম ।। নওগাঁর ধামইরহাটে পৌরসভার বর্জ্য ফেলাকে কেন্দ্র করে দুই নারীকে মারধরের অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে শাস্তি ও প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা পরিষদ গেইটের সামনে জয়পুরহাট-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কের উপর মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের মঙ্গল কোটা এলাকার বাসিন্দারা। মানববন্ধনের এক পর্যায়ে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ঝাড়ু হাতে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল করে ভুক্তভোগীদের পরিবার ও এলাকাবাসীরা। পরে বিক্ষোভ মিছিলটি উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে মিলিত হয়। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পৌর শাখা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যদের উপস্থিত লক্ষ্য করা গেছে। মানববন্ধনে আগত বক্তারা বলেন, সকালে পৌরসভার ময়লার একটি গাড়ি উপজেলার মঙ্গলকোঠা এলাকার আবাসিক এলাকায় ফেলার কারণে উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে স্থানীয় এলাকাবাসিদের বাকবিতন্ডার সৃষ্ঠি হয়। বিষয়টি জানতে পেরে বেলা ১১টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহরিয়ার রহমান ও পৌর প্রকৌশলী আবদুর সালাম ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয়দের সঙ্গে আবারও ঝামেলা সৃষ্টি হয়। এবং স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল কুদ্দুসের গর্ভবতী স্ত্রী মিতু আক্তার (৩০) ও হবিবর রহমানের স্ত্রী সামিরনকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়। এ বিষয়ে বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে উপজেলা প্রশাসন প্রতিবেদককে জানিয়েছেন , সকালে ধামইরহাট পৌরসভার পরিচ্ছন্নকর্মীরা একটি পতিত খাস জমিতে ময়লা ফেলতে গেলে কয়েকজন ব্যক্তি ময়লা ফেলতে বাধা দেয় এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের গালমন্দ করে তাড়িয়ে দেয়। এ ঘটনা প্রশাসক হিসেবে ইউএনও কে জানালে পৌরসভার স্টাফ ও আনসারসহ ইউএনও ঘটনাস্থলে যান। সেখানে কয়েকজন অবৈধ দখলদার মহিলা ও পুরুষ বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করে এবং এক পর্যায়ে ২-১ জন লেবার আনসারদের গায়ে হাত তোলে। উপজেলা প্রশাসন আরও জানায়, পরবর্তীতে সবাইকে শান্ত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেখান থেকে চলে আসলে দুই একজন স্বার্থন্বেষী ব্যক্তি, যারা উক্ত খাসজমির অবৈধ দখলদার, তাঁরা কিছু মহিলাসহ উপজেলা পরিষদের গেটে ইউএনওর বিরুদ্ধে মানববন্ধন করে। পরবর্তীতে উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং জেলা প্রশাসনের মধ্যস্থতায় বিষয়টি মীমাংসা হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহরিয়ার রহমান জানান, পৌরসভার লোকজন ময়লা ফেলার জন্য ওই এলাকায় গেলে স্থানীয় বাসিন্দারা পৌরসভার লোকজনদের কাজে বাধা দেয়। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে কয়েকজন অবৈধ দখলদার মহিলা ও পুরুষ বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করে এবং এক পর্যায়ে ২-১ জন লেবার অবং আনসারদের গায়ে হাত তোলে। এবং আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায়। SHARES সারা বাংলা বিষয়: