আটপাড়ায় রবিউল আলম হত্যায় থানায় অভিযোগ, আটক–১

দেশসেবা দেশসেবা

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১২:১৯ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১, ২০২৫

নুর মোহাম্মদ খান ।।

নেত্রকোণার আটপাড়া উপজেলার ইটাখলা ও মোবারকপুর দুই গ্রামের সংঘর্ষে  ইটাখলা এলাকা রবিউল আলম রবির (৪০) হত্যার ঘটনায় নিহত ব্যক্তির বড় ভাই  শাহ-জাহান বাদি হয়ে ২৫ জনের নামে  থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ একজনকে আটক করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ নভেম্বর  সন্ধ্যায় পলাশ ও কাউসার এর মধ্যে তিন’শ টাকা নিয়ে তর্কতর্কি  হলে  এক পর্যায় হাতাহাতি হয়  এর পরে  দ্বিতীয় বার পলাশ ৩০-২৫ জনকে নিয়ে কাউসারকে মারধর করে। এর পরে মসজিদে মাইকিং করে দুই গ্রামের সংঘর্ষে  হামলা  দোকানপাট  ভাঙচুর  চালানো হয় যা  সন্ধ্যা সাতটা হতে রাত দশটা পর্যন্ত চলমান ছিল পরে পুলিশ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায় আটপাড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শাহনূর ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। এদিকে এই সংঘর্ষে দুই গ্রামের রবিউল আলমসহ শতাধিক  লোক আহত হয়। পুরো তো আহত অবস্থায় মধ্যে চার-পাঁচজন গুরুত আহত  অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে আটপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে অবস্থা তিনজনের গুরুতর  দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক ময়মনসিংহ রেফার্ড করে ঘটনার পরের দিন চিকিৎসারত অবস্থায় মিত্যু বরণ করেন রবিউল আলম। বাকি দুজন ময়মনসিংহ হাসপাতালে মিত্যুর সাথে পাঞ্জা লাড়ছেন।
অভিযোগের  পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে একজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। আটককৃত  ব্যক্তির ২৪ নং আসামী মহেশপুরের মোখলেছের ছেলে মনির (৩৫)।
 গোপন সূত্রে জানা যায়, পলাশ ও কাউসার দুজনেই মাদকের সাথে জড়িত,মাদকের মামলা রয়েছে উভয়ের নামেই গ্রেফতার ও হয়েছে। ৩০০ টাকার নিয়ে ঝামেলা মূলত ইয়াবা সেবনের টাকা।।মাদক যুব সমাজকে ধ্বংস করে এটাই তার জলজন্তু  প্রমাণ।
আটপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি  বলেন, “হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ঐ অভিযোগে ২৫ জনের নামে  এজাহার ভুক্তসহ অজ্ঞাত ১০০/১৫০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।এর মধ্যে মনির নামে একজনকে নিজ এলাকা হতে আটক করা হয়।  ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।  বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।”