চুনারুঘাট এর ওসি ক্লোজড দেশসেবা দেশসেবা ডেস্ক রিপোর্ট প্রকাশিত: ৪:২১ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৫ সারোয়ার নেওয়াজ শামীম।। হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় সম্প্রতি এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে, যা আইনের শাসন ও পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। অভিযোগ উঠেছে, বাসা থেকে ওসির ৪ লক্ষ টাকা চুরি যাওয়ায় সন্দেহ করে উদ্ধারের জন্য নিজের ড্রাইভার ওয়াসিমের বাসা তছনছ করায় ড্রাইভার উর্ধ্বতন কতৃপক্ষ বরাবর অভিযোগ করেন। ভিডিও ভাইরাল ও সংবাদ প্রকাশের পর তাকে ক্লোজড করা হলেও ওসির বাসায় ৪ লক্ষ টাকা এক সাথে এলো কোথা থেকে এই প্রশ্ন এখনো জনমনে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুনারুঘাটের দুই ছাত্রলীগ নেতাকে গত ২৩ মার্চ অভিযান চালিয়ে আটক করে থানা পুলিশ। ওই দুই নেতা হলেন উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ফুল মিয়া খন্দকার মায়া এবং আরেকজন চুনারুঘাট আহাম্মদাবাদ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়াহিদুল ইসলাম, পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানীয় পত্রিকার ভাষ্য মতে পেশায় একজন মাদক ব্যবসায়ী। কিন্তু আটকের পরই নাটকীয়ভাবে থানা হাজত থেকে দুজনের মধ্যে ওয়াহিদুল ইসলামকে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং মায়াকে জেলে প্রেরণ করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, থানার ওসি মোটা অঙ্কের ঘুষ গ্রহণ করে একজন প্রকৃত আসামিকে প্রকাশ্যে মুক্তি দিয়েছিলেন। এখানেই শেষ নয়,, মাদক সম্রাট, চোরা কারবারি গডফাদার, সন্ত্রাসী, সালেক মেম্বার,বিভিন্ন ইউ পি চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ নেতাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ায় একব্যক্তি তার বিরুদ্বে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। চুনারুঘাটে এ ধরনের ঘটনায় প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। জনগণ চাইছে, এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হোক এবং দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম আর না ঘটে। এ বিষয়ে জানতে চুনারুঘাট থানার ওসি মো. নুর আলমের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে ওনার মোবাইল নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়। উল্লেখ্য যে, ২০২১ সালে সুনামগঞ্জ শাল্লা থানায় ওসি নুর আলম থাকা অবস্থায় নারী সহকর্মীকে কুপ্রস্তাব *মাদক ও জুয়া থেকে মাসে কয়েক লাখ টাকা মাসোহারা *টাকা ছাড়া পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, এফআইআর কিছুই হতো না এজন্য গত (১২ আগস্ট ২০২১) তারিখের ৩৮৭/২০২১ নম্বর আদেশে ওসি মো. নুর আলমকে সেখান থেকে ক্লোজড করা হয়। SHARES সারা বাংলা বিষয়: