দোষীদের আইনের আওতায় আনার ঘোষণা ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিকের দেশসেবা দেশসেবা ডেস্ক রিপোর্ট প্রকাশিত: ৬:০৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৫ মোঃ রিপন শেখ ।। ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বিক্ষোভকারীদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভাঙ্গা থানা, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় এবং হাইওয়ে থানা পরিদর্শন করেছেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক। সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে সাংবাদিকদের তিনি জানান, হামলার ঘটনায় জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি বলেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কর্মরত কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যেন দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। থানা ও সরকারি স্থাপনায় হামলার সঙ্গে জড়িত ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” ডিআইজির সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল মাবুদ, ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মো: কামরুল আহসান মোল্লা, পুলিশ সুপার মোঃ আব্দুল জলিল, ভাঙ্গা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসিফ ইকবাল, ওসি মোঃ আশরাফ হোসেন প্রমুখ। জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল আহসান মোল্লা বলেন, সোমবারের হামলায় ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “ভাঙ্গার জনগণের আবেগ ও অনুভূতি আমরা বুঝি। ইতোমধ্যে বিষয়টি নির্বাচন কমিশন সচিব বরাবর রিপোর্ট আকারে পাঠানো হয়েছে।” তিনি জনগণকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, “একুশে সেপ্টেম্বর রিটের শুনানি হবে, সেখানে বিষয়টি পরিষ্কার হবে।” তিনি আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বলেন, “মানুষের চলাচলে কষ্ট হয় এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন। সড়ক অবরোধ না করে মানববন্ধনের মতো শান্তিপূর্ণ উপায়ে প্রতিবাদ জানান।” গত ৪ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত নির্বাচন কমিশনের গেজেট অনুযায়ী, ফরিদপুর-৪ আসনের ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ও হামিরদী ইউনিয়ন দুটি কেটে ফরিদপুর-২ আসনের নগরকান্দা ও সালথা উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এতে অসন্তোষ দেখা দেয় স্থানীয়দের মধ্যে। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ভাঙ্গায় টানা ছয় দিন ধরে আন্দোলন চলছিল। সোমবার দুপুরে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়, থানা ও হাইওয়ে থানায় ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। ঈদগাহ মসজিদের কাচও ভেঙে ফেলা হয়। বিক্ষোভকারীরা পুলিশ ও কর্মকর্তাদের গাড়ি, মোটরসাইকেল, অফিস কক্ষসহ বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালায় ও অগ্নিসংযোগ করে। ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ওসি মোহাম্মদ রোকিবুজ্জামান জানান, “প্রায় ৭-৮ শত লোক থানায় হামলা চালায় এবং প্রতিটি কক্ষে ভাঙচুর করে।” তিনি বলেন, হামলাকারীদের হাত থেকে বাঁচতে তিনি বাথরুমে আশ্রয় নেন। এই ঘটনার পর প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। SHARES সারা বাংলা বিষয়: