ভাঙ্গায় দ্বিতীয় দিনেও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১০ দেশসেবা দেশসেবা ডেস্ক রিপোর্ট প্রকাশিত: ৬:৫১ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৩, ২০২৫ মোঃ রিপন অবশ্য ।। ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দ্বিতীয় দিনেও দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সকাল ৮টার দিকে লিটন মাতুব্বরপক্ষের মিন্টু নামে এক যুবককে মারধরের জেরে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন এবং প্রায় ২০টি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পাশাপাশি আশপাশের গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও পরিস্থিতি শান্ত করতে সহযোগিতা করেন। স্থানীয়রা জানান, রোববার বিকেলে লিটন মাতুব্বর ও কুদ্দুস মুন্সী পক্ষের মধ্যে জমি নিয়ে সালিশ বৈঠক বসার কথা ছিল। কিন্তু বিকেল তিনটার দিকে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়, যা চলে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত। ওই ঘটনায় অন্তত ৫০ জন আহত হন। সোমবারের সংঘর্ষ সেই ঘটনারই ধারাবাহিকতা বলে জানা গেছে। সোমবার সকালে কুদ্দুস মুন্সী পক্ষের লোকজন মিন্টুকে মারধর করলে আবারও দুই পক্ষ উত্তেজিত হয়ে ওঠে। পরে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র—ঢাল, টেটা, কালি, কাতরা ও ইটপাটকেল নিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে লিপ্ত হয় তারা। এতে মোতলব মুন্সী, মজিবুর মিয়া, আবদুর রহিম মুন্সী, শওকত মুন্সী, খলিল মিয়া, সোনাউদ্দিন, জাকির মাতুব্বর, হায়দার মাতুব্বর, ফজর মাতুব্বর, মাসুদ মাতুব্বর, বকুল মাতুব্বর, সোহেল শেখ, ছালমা বেগম, শহিদুল শেখ ও মোক্কা মৃধার বাড়িসহ অন্তত ২০টি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের শিকার হয়। ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. তানজীরুল ইসলাম মামুন বলেন, সোমবার সকালে গোপীনাথপুর গ্রামের সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। কয়েকজনকে ভর্তি রাখা হয়েছে।” ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফ হোসেন বলেন, গতকালের সূত্র ধরে আজ সকালে একই গ্রামের দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।” SHARES সারা বাংলা বিষয়: